মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মথুরাপুর ইউনিয়নের ইতিহাস

বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল চলনবিল অধ্যূষিত জনপদ চাটমোহর উপজেলার অন্যতম একটি ক্ষুদ্র ইউনিয়নের নাম ‘মথুরাপুর’। এ ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে। নতুন একটি ইউনিয়ন হিসেবে এ ইউনিয়নের ইতিহাস তেমন সমৃদ্ধ নয়। চাটমোহর উপজেলা সদরের গা ঘেঁষে উপজেলা সদরের দক্ষিণে এই ইউনিয়নের অবস্থান। এই ইউনিয়নের উত্তরে চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন, পূর্বে চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়ন, দক্ষিণে চাটমোহর পৌরসদর ও হরিপুর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়ন অবস্থিত। তথ্য প্রযুক্তির প্রসারতার সুবাদে এই ইউনিয়ন পরিষদের জন্যও তৈরী হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ পোর্টাল। এটি সত্যিই আনন্দের বিষয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। পাবনা জেলার অত্যন্ত ছোট এই মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব সাইটে আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি। তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে ওয়েব সাইট একটি অপরিহার্য বিষয়। ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব সাইট সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের কৃষ্টি, কালচার, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যকে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরে। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট এর ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ তথ্য প্রযুক্তির বিশাল ভান্ডারে প্রবেশ করে সাগর থেকে মুক্তা আহরণের মতো তথ্য আহরণ করে তার জ্ঞান ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পারে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি প্রয়োজন পূরণের জন্য পারে তথ্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে। দল-মত ধর্ম-বর্ণ নির্বেশেষে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি প্রয়োজন তথ্য প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে পূরণ করতে সক্ষম। প্রাত্যাহিক জীবনে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ সময় ও অর্থ দুই এরই সাশ্রয় করতে পারে। তথ্য প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে পৃথিবী যখন এগিয়ে চলেছে তখন আমরাও চাইনা পিছিয়ে পড়তে। তাই বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মহান কর্মযজ্ঞের অংশ হিসেবেই তৈরী করা হয়েছে ‘মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদ পোর্টাল’। আমরা মনে করি আমাদের এই ওয়েব সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এক ক্ষুদ্র ইউনিয়ন সম্পর্কে পৃথিবীবাসী পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে জানতে পারবে। ঠিক তেমনি ইউনিয়নবাসীও তাদের যে কোন প্রয়োজন পূরণের জন্য এই ওয়েব সাইটটিকে ব্যবহার করতে পারবে। কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি সবকিছুই এই ওয়েব পোর্টালে   অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কৃষি পরামর্শ, মৎস্য চাষে করণীয়, গবাদী পশুর চিকিৎসা, জরুরী স্বাস্থ্য সেবা ইত্যাদি প্রতিটি বিষয়ের যথাযথ সেবা ঘরে বসেই ইউনিয়নবাসী পেতে পারবে। ইউনিয়ন পরিষদ পোর্টালের মাধ্যমে একজন কৃষক প্রয়োজনের মুহুর্তে কৃষি কর্মকর্তার সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারবে, বিপদের মুহুর্তে একজন রোগী সহজেই ডাক্তার খুজে পাবে; এমনি প্রাত্যাহিক হাজারো সমস্যা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। ইন্টারনেট তথ্যের এক বিশাল ভান্ডার। যে কেউ যে কোন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে তার চাহিদাকে পূরণ করতে পারে। তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকুরীজিবী সকল পেশার সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য ইন্টারনেট সমভাবে উপযোগী। পড়াশুনা, ক্রয়-বিক্রয় আজকাল ইন্টারনেটের মাধ্যমেই করা সম্ভব। শুধু তা-ই নয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন মানুষ অর্থ আয়ের পথও খুজে নিয়েছে। মোট কথা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে মানুষের জন্য অপরিহার্য্য হয়ে পড়েছে। তথ্য প্রযুক্তি মানুষের সময় ও অর্থের সাশ্রয় করে। যথাসময়ে দ্রুত সেবা গ্রহণের মাধ্যমে সময় এবং অর্থের সাশ্রয় করে ইউনিয়নবাসী তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আরো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমরা মনে করি। এই ওয়েব সাইট তৈরীর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানুষের গতিশীল জীবনে নতুন মাত্রা সংযুক্ত করে তাকে আরো বেগবান করা। এই ওয়েব সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীই কেবল উপকৃত হবে না; এর দ্বারা উপকৃত হবে দেশে বা বিদেশে অবস্থান করা আগ্রহী প্রতিটি মানুষ। ওয়েব সাইটটিতে অপরিহার্য অনেক মানচিত্র সংযোজন করা হয়েছে যা একজন পর্যটককে পথ দেখাবে এবং এই জনপদের তথ্য জানতে সাহায্য করবে। ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য প্রতিটি স্থান ও স্থাপনার ছবি এবং বর্ণনা সন্নিবেশিত থাকায় এটি এই এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণেও যথেষ্ট সহায়ক হবে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করে আমরা এই ওয়েব পোর্টালকে যথাযথভাবে সমৃদ্ধ করতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। এ ক্ষেত্রে যাঁরা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার এ মহান উদ্যোগের সাথে আমরা সম্পৃক্ত হতে পেরে গর্বিত।


Share with :

Facebook Twitter